All posts

Shopify COD App Bangladesh: সেরা ক্যাশ অন ডেলিভারি অ্যাপ কোনটা?

Shopify COD app Bangladesh খুঁজছেন? Steadfast, Pathao, RedX কুরিয়ার ইন্টিগ্রেশন, OTP আর ১ ডলারে ২০০ SMS সহ Neo COD কেন সেরা, পুরোটা জেনে নিন।

বাংলাদেশে অনলাইন বিজনেস করেন, আর ক্যাশ অন ডেলিভারির ঝামেলা পোহাননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।

কাস্টমার আগে টাকা দিতে চায় না। জিনিস হাতে না পাওয়া পর্যন্ত টাকা বের করবে না, এটাই বাংলাদেশের নিয়ম। বাংলাদেশের ই-কমার্সে অর্ডারের ৬০ থেকে ৭০ ভাগই আসে COD-তে। মানে আপনি চান বা না চান, COD ছাড়া বিজনেস দাঁড়াবে না।

এখন সমস্যা হলো, Shopify-র নিজের চেকআউটটা বাংলাদেশের কথা ভেবে বানানো হয়নি। কাস্টমারের কাছে ইমেইল চায়, দুই-তিনটা পেজ ঘোরায়, পেমেন্ট মেথড বাছতে বলে। যে মামা-চাচারা প্রথমবার অনলাইনে অর্ডার করতে বসেছেন, তারা মাঝপথেই বের হয়ে যান। তার উপর বাংলাদেশে ৮৫ ভাগ ট্রাফিক আসে মোবাইল থেকে। ছোট স্ক্রিনে এত লম্বা চেকআউট মানে সরাসরি অর্ডার হারানো।

এর সমাধান একটাই, একটা COD অর্ডার ফর্ম। প্রোডাক্ট পেজেই বসে থাকবে, কাস্টমার নাম-নাম্বার-ঠিকানা দিয়ে এক ক্লিকে অর্ডার করে ফেলবে। ব্যস।

আজকে দেখব, বাংলাদেশের একটা স্টোরের জন্য COD অ্যাপে ঠিক কী কী থাকা লাগে। আর Neo COD Form & Upsell কেন এই লিস্টের সাথে সবচেয়ে ভালো মেলে।

Shopify COD form app আসলে কী করে

খুব সোজা কথায় বলি।

কাস্টমার “অর্ডার করুন” বাটনে চাপ দিল। সাথে সাথে একটা ছোট ফর্ম খুলল। সেখানে চাইল শুধু তিনটা জিনিস, নাম, মোবাইল নাম্বার আর ঠিকানা। সাবমিট দিল, Shopify-তে অর্ডার বসে গেল।

ইমেইল লাগে না, অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় না, কার্ডের ঝামেলা নেই। যে কাস্টমার জীবনে অনলাইনে কিছু কেনেনি, সেও পারে।

তবে খালি ফর্ম দিলেই কাজ শেষ না। বাংলাদেশে ব্যবসা করতে গেলে আরও তিনটা জিনিস লাগবেই, কুরিয়ার ইন্টিগ্রেশন, ফেক অর্ডার ঠেকানোর ব্যবস্থা, আর কম দামে SMS। এর একটাও না থাকলে অ্যাপ দিয়ে আপনার লাভ নেই।

Neo COD কেন আলাদা

Neo COD বানিয়েছে বাংলাদেশের একটা টিম, অফিস ঢাকায়, নাম Neo Apps। Shopify App Store-এ এখন ৩১টা রিভিউ, রেটিং ৫.০। ফ্রি প্ল্যানও আছে, তাই টেস্ট করতে টাকা লাগে না।

নিচে চারটা কারণ বলছি, যেগুলো সরাসরি আমাদের বাজারের সমস্যা ধরে।

১. ফর্ম নিজের মতো সাজানো যায়, কোডিং ছাড়াই

অনেক অ্যাপে ফর্মের একটা রঙ বদলাতে গেলেও ডেভেলপার ডাকতে হয়। Neo COD-তে পুরোটাই ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ। মাউস দিয়ে টেনেই কাজ শেষ।

কী কী নিজের হাতে বদলাতে পারবেন:

  • ফিল্ডের নাম আর সিরিয়াল, যেমন “আপনার নাম”, “মোবাইল নাম্বার”, “সম্পূর্ণ ঠিকানা”
  • নতুন ফিল্ড যোগ করা, থানা বা এলাকার জন্য আলাদা ঘর লাগলে বসিয়ে দিন
  • রঙ, ফন্ট আর বাটন, থিমের সাথে মিলিয়ে
  • পপআপ নাকি পেজের ভেতরে, যেভাবে চান
  • মোবাইলে ফুল স্ক্রিন, ফোনের জন্য আলাদা লেআউট
  • কাস্টম থ্যাংক ইউ পেজ, অর্ডার শেষে কাস্টমার কী দেখবে

পুরো ফর্ম বাংলায় লেখা যায়। ফিল্ডের নাম, বাটনের লেখা, ভুল হলে কী মেসেজ দেখাবে, সব।

আরেকটা কাজের জিনিস আছে, ড্রাফট মোড। লাইভ ফর্মে হাত না দিয়ে আগে ড্রাফটে চেঞ্জ করে দেখে নিন। পছন্দ হলে পাবলিশ। মাঝরাতে ফর্ম নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে সকালের অর্ডার নষ্ট হওয়ার ভয় নেই।

শিপিং চার্জও এখান থেকেই সেট করা যায়। ঢাকার ভিতরে ৬০, ঢাকার বাইরে ১২০, এভাবে জেলা ধরে ধরে আলাদা রেট বসিয়ে দিন। কোনো প্রোডাক্টে ফ্রি ডেলিভারি দিতে চাইলে সেটাও হবে।

২. Steadfast, Pathao, RedX, বাংলাদেশের সব কুরিয়ার এক জায়গায়

অর্ডার আসার পরের কাজটাই আসল কাজ। আর সেখানেই সবার সময় সবচেয়ে বেশি যায়।

বেশিরভাগ ভাইয়ের রুটিনটা এরকম। Shopify থেকে অর্ডার এক্সপোর্ট করো, এক্সেলে বসে ঠিকঠাক করো, তারপর কুরিয়ারের প্যানেলে গিয়ে একটা একটা করে এন্ট্রি দাও। দিনে ৫০টা অর্ডার হলে এতেই দুই-তিন ঘণ্টা শেষ। আর টাইপ করতে গিয়ে নাম্বারের একটা ডিজিট এদিক-ওদিক হলে পুরো পার্সেল ফেরত।

Neo COD বাংলাদেশের বড় কুরিয়ারগুলোর সাথে সরাসরি কাজ করে:

  • Steadfast Courier
  • Pathao Courier
  • Carry Bee
  • Paperfly
  • RedX

এতে কী সুবিধা:

  • Shopify-র অর্ডার থেকেই সরাসরি বুকিং, কপি-পেস্টের দরকার নেই
  • ঠিকানা বা নাম্বারে টাইপিং ভুল হওয়ার সুযোগ নেই
  • কোন অর্ডার কোন কুরিয়ারে গেছে, এক জায়গা থেকেই দেখা যায়
  • কাস্টমার ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করলে সাথে সাথে বলে দিতে পারবেন পার্সেল কোথায়

আরেকটা হিসাব করে দেখেন। আলাদা করে একটা কুরিয়ার অ্যাপের সাবস্ক্রিপশন কিনতে হচ্ছে না। অনেকেই এখন একটা COD ফর্ম অ্যাপ আর একটা কুরিয়ার অ্যাপ, দুইটার বিল দিয়ে যাচ্ছেন।

৩. ফেক অর্ডার আর রিটার্ন ঠেকানোর পুরো ব্যবস্থা

COD বিজনেসে সবচেয়ে বড় কষ্টের জায়গা এটাই।

ভুয়া অর্ডার আসে। আপনি পার্সেল পাঠান। ডেলিভারিম্যান ফোন দেয়, কাস্টমার ফোন ধরে না। পার্সেল ফেরত আসে। যাওয়া-আসা দুই দিকের চার্জ আপনার পকেট থেকেই যায়। মাস শেষে হিসাব মিলাতে গিয়ে দেখেন লাভের টাকাটা রিটার্নেই গচ্চা গেছে।

Neo COD-তে এই ঝামেলা ঠেকানোর জন্য যা আছে:

  • OTP ভেরিফিকেশন, অর্ডার কনফার্ম হওয়ার আগেই নাম্বার যাচাই। শুধু এই একটা জিনিসেই রিটার্ন ১৫ থেকে ২৫ ভাগ কমে যায়
  • রিপিট অর্ডার লিমিট, এক নাম্বার থেকে বারবার ভুয়া অর্ডার দেওয়া বন্ধ
  • নাম্বার, ইমেইল আর IP ব্লক, যারা বারবার পার্সেল ফেরত দেয় তাদের একেবারে আটকে দিন
  • পোস্টাল কোড ভ্যালিডেশন, যে এলাকায় ডেলিভারি দেন না, সেখান থেকে অর্ডারই নেবে না
  • IP হোয়াইটলিস্ট, নিজের টিমের জন্য ছাড়

সাথে আছে পার্শিয়াল পেমেন্ট। পুরো টাকা না নিয়ে খালি ডেলিভারি চার্জটা আগে নিয়ে নিন। যে কাস্টমার ১০০ টাকা অ্যাডভান্স দিয়েছে, সে সহজে পার্সেল ফেরত দেবে না। বাংলাদেশে যারা অল্প অ্যাডভান্স নেওয়া শুরু করেছেন, তাদের রিটার্ন ৪০ থেকে ৫০ ভাগ কমে গেছে।

৪. SMS-এর খরচ কম, ১ ডলারে ২০০ SMS

COD-তে SMS ছাড়া চলেই না। OTP পাঠাতে হয়, অর্ডার কনফার্ম করতে হয়, পার্সেল বের হলে জানাতে হয়, কার্ট ফেলে চলে যাওয়া কাস্টমারকে মনে করিয়ে দিতে হয়।

কিন্তু বিদেশি অ্যাপগুলোর SMS রেট দেখলে মাথা গরম হয়ে যায়। যেমন Releasit COD Form-এ বাংলাদেশি নাম্বারে প্রতি SMS-এর দাম $0.8450, আর Easysell COD Form-এ $1.0762। একটা মাত্র SMS পাঠাতেই এত টাকা চলে গেলে মাসে দশ হাজার মেসেজের বিলটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, একবার ভাবুন। আমাদের মার্জিনে এটা টেকে না।

অ্যাপপ্রতি SMS-এর দাম
Neo COD$0.005
Releasit COD Form$0.8450
Easysell COD Form$1.0762

Neo COD-তে ১ ডলারে ২০০ SMS। মানে প্রতি SMS পড়ছে মাত্র $0.005, টাকায় হিসাব করলে এক মেসেজে এক টাকারও কম। Releasit-এর চেয়ে প্রায় ১৭০ গুণ কম, আর Easysell-এর চেয়ে ২১৫ গুণেরও বেশি কম। $100 খরচেই প্রায় বিশ হাজার SMS চলে আসে, একটা মাঝারি স্টোরের পুরো মাস আরামে চলে যাবে।

এই ব্যালেন্স দিয়ে যা যা পাঠাতে পারবেন:

  • OTP, নাম্বার আসল কি না দেখার জন্য
  • অর্ডার কনফার্মেশন, কাস্টমার জানল অর্ডার হয়েছে, তাই বারবার ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করবে না
  • শিপিং কনফার্মেশন, পার্সেল কুরিয়ারে দিলে জানিয়ে দিন, ডেলিভারির দিন কাস্টমার বাসায় থাকবে
  • অ্যাবানডনড কার্ট রিকভারি, যারা ফর্ম ভরে শেষ করেনি তাদের ফিরিয়ে আনুন

ব্যালেন্স ভরবেন অ্যাপের Customer Messaging পেজ থেকে। ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০ ডলারের অপশন আছে, চাইলে নিজের মতো অ্যামাউন্টও দিতে পারবেন। টাকা কাটে Shopify বিলিং থেকেই, আলাদা কার্ড দেওয়ার ঝামেলা নেই। ব্যালেন্স ৫ ডলারের নিচে নামলে অ্যাপ নিজেই আগেভাগে জানিয়ে দেয়।

চাইলে হোয়াটসঅ্যাপেও মেসেজ পাঠাতে পারবেন। এখন অনেক কাস্টমার SMS-এর চেয়ে হোয়াটসঅ্যাপেই বেশি সাড়া দেয়।

বাড়তি পাওনা: সাপোর্ট টিম বাংলাদেশেই আছে

বিদেশি অ্যাপ ব্যবহার করে যারা ধরা খেয়েছেন, তারা জানেন ব্যাপারটা কেমন। রাত দুইটায় সমস্যা হলো, ইমেইল করলেন, উত্তর এলো পরদিন বিকেলে। এদিকে বুস্ট চলছে, অর্ডার আটকে আছে, আর আপনি বসে বসে ঘামছেন।

Neo Apps-এর টিম বাংলাদেশে, ঢাকায় বসে কাজ করে। তাই:

  • সরাসরি ফোন দিতে পারবেন
  • হোয়াটসঅ্যাপে স্ক্রিনশট পাঠিয়ে সমস্যা দেখাতে পারবেন
  • ইমেইল করতে পারবেন বড় কোনো ইস্যু হলে
  • লাইভ চ্যাট আছে অ্যাপের ভিতরেই

আর সবচেয়ে বড় কথা, রিটার্ন কেন হয়, স্টেডফাস্টের API-তে কী প্যাঁচ, ফেক অর্ডার কোন কোন ভাবে আসে, এগুলো নতুন করে বুঝিয়ে বলা লাগে না। তারা নিজেরাই এই বাজারের মানুষ।

ফেসবুক পিক্সেল: যে ভুলটা অনেকে দেরিতে ধরতে পারেন

এই জিনিসটা নিয়ে অনেকে বিপদে পড়েন, কিন্তু বোঝেন অনেক পরে।

COD ফর্ম ব্যবহার করলে Shopify-র নিজের চেকআউটটা বাদ পড়ে যায়। ফলে ফেসবুক পিক্সেল Purchase ইভেন্ট ঠিকমতো পায় না। অ্যাড ম্যানেজারে গিয়ে দেখেন কনভার্শন কম দেখাচ্ছে। ফেসবুক তখন ভাবে আপনার অ্যাড কাজ করছে না, আর ভুল মানুষের কাছে অ্যাড দেখাতে থাকে। মানে আপনার বুস্টের টাকাটা পানিতে যায়।

Neo COD এই সমস্যাটা রাখেনি। ইভেন্ট পাঠায় Meta Pixel আর Conversions API, GA4, Google Ads, TikTok, Snapchat, Pinterest আর X, সবখানে। CAPI থাকায় iOS আপডেটের পরেও ডেটা ঠিকঠাক যায়।

একই কাস্টমার থেকে বেশি বিক্রি: আপসেল

অ্যাডের খরচ দিন দিন বাড়ছে। তাই যে কাস্টমার একবার এসেছে, তার কাছ থেকে যতটা পারা যায় বিক্রি করে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

  • কোয়ান্টিটি ডিসকাউন্ট, ২টা নিলে ১০%, ৩টা নিলে ২০%
  • ওয়ান টিক আপসেল, ফর্মের ভিতরেই একটা টিক বক্স, চাপ দিলেই এক্সট্রা প্রোডাক্ট যোগ
  • প্রি আর পোস্ট পারচেজ আপসেল, অর্ডারের আগে বা পরে অফার দেখানো
  • ডাউনসেল, অফার না নিলে একটু সস্তা কিছু দেখিয়ে দেওয়া

দাম কত পড়বে

প্ল্যানমাসিককত অর্ডার
Freeফ্রিমাসে ১০০ অর্ডার
Basic$৬.৯৯মাসে ৭০০ অর্ডার
Unlimited$১২.৯৯আনলিমিটেড

মজার ব্যাপার হলো, ফর্ম কাস্টমাইজেশন, মাল্টি পিক্সেল, কোয়ান্টিটি ডিসকাউন্ট, ওয়ান টিক আপসেল, ডাউনসেল, প্রি পারচেজ আপসেল, এগুলো ফ্রি প্ল্যানেও পাবেন। পার্থক্য শুধু মাসে কয়টা অর্ডার নিতে পারবেন, সেখানে।

বছরের হিসাবে নিলে আরও সস্তা। Basic-এর বার্ষিক $৫৯.৮৮, আর Unlimited $৮৩.৮৮, যেখানে ৪৬ ভাগ পর্যন্ত বাঁচে। মাসে হাজার টাকার কমে আনলিমিটেড অর্ডার। মাসে একটা রিটার্ন পার্সেল ঠেকাতে পারলেই এই টাকা উঠে আসবে।

সেটআপ করবেন কীভাবে

রিভিউ পড়লে দেখবেন, অনেকে আধা ঘণ্টার মধ্যেই পুরো কাজ শেষ করে ফেলেছেন।

১. Neo COD Form & Upsell ইনস্টল করুন। ২. ফর্ম বিল্ডারে গিয়ে ফিল্ডগুলো বাংলায় সাজান, রঙ-বাটন থিমের সাথে মিলিয়ে নিন। ৩. শিপিং চার্জ বসান, ঢাকার ভিতরে আর বাইরে আলাদা করে। ৪. যে কুরিয়ার ব্যবহার করেন, সেটার অ্যাকাউন্ট কানেক্ট করুন। ৫. Customer Messaging-এ ব্যালেন্স ভরে OTP আর অর্ডার কনফার্মেশন চালু করে দিন। ৬. পিক্সেল আর Conversions API বসান, তারপর টেস্ট ইভেন্টে দেখে নিন ঠিকমতো যাচ্ছে কি না। ৭. নিজে একটা টেস্ট অর্ডার দিয়ে পুরো জিনিসটা চোখে দেখে নিন।

কোথাও আটকে গেলে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিলেই হবে।

অনেকে যেসব প্রশ্ন করেন

বাংলাদেশের জন্য সেরা Shopify COD app কোনটা?

যেটাতে একসাথে চারটা জিনিস পাবেন, সেটাই। সহজ ফর্ম, বাংলাদেশের কুরিয়ার ইন্টিগ্রেশন, OTP আর ফ্রড কন্ট্রোল, আর কম দামে SMS। Neo COD-তে এই চারটাই এক অ্যাপে আছে, উপরি হিসেবে বাংলাদেশি সাপোর্ট।

Shopify COD app কি ফ্রিতে চালানো যায়?

যায়। Neo COD-র ফ্রি প্ল্যানে মাসে ১০০ অর্ডার পর্যন্ত নিতে পারবেন, আর মূল ফিচারগুলোও পাবেন। নতুন স্টোরের জন্য এটাই যথেষ্ট।

Shopify-র সাথে Steadfast বা Pathao কীভাবে কানেক্ট করব?

কুরিয়ারের মার্চেন্ট প্যানেল থেকে API-র তথ্যগুলো নিয়ে অ্যাপে বসিয়ে দেবেন। এরপর Shopify-র অর্ডার থেকেই সরাসরি পার্সেল বুক হবে, আলাদা করে কুরিয়ারের সাইটে ঢোকা লাগবে না।

COD ফর্ম বসালে কি ফেসবুক পিক্সেল নষ্ট হয়ে যায়?

সাধারণ ফর্ম অ্যাপে এই সমস্যা হতে পারে, কারণ Shopify চেকআউট বাদ পড়ে যায়। Neo COD আলাদাভাবে Meta Pixel আর Conversions API-তে ইভেন্ট পাঠায়, তাই ট্র্যাকিং ঠিক থাকে।

রিটার্ন আর ফেক অর্ডার কমানোর সবচেয়ে ভালো উপায় কী?

দুইটা জিনিস একসাথে করলে ফল সবচেয়ে ভালো, OTP ভেরিফিকেশন আর অল্প অ্যাডভান্স নেওয়া। নাম্বার যাচাই হলে ভুয়া অর্ডার এমনিতেই কমে যায়, আর টাকা দিয়ে ফেললে কাস্টমার সহজে পার্সেল ফেরত দেয় না।

SMS-এর টাকা কি প্ল্যানের ভিতরেই ধরা?

না, SMS আর হোয়াটসঅ্যাপ চলে আলাদা ব্যালেন্স থেকে। ১ ডলারে ২০০ SMS হিসেবে যোগ হবে, আর ব্যালেন্স ভরবেন Shopify বিলিং দিয়ে।

অ্যাপটা কি সাইট স্লো করে দেবে?

Neo COD চলে Shopify-র অ্যাপ এক্সটেনশন দিয়ে, থিমের কোডে ভারী কিছু বসায় না। তাই স্পিডে তেমন প্রভাব পড়ে না।

পুরনো COD অ্যাপ থেকে সরে আসা কি কঠিন?

মোটেও না। নতুন ফর্মটা ড্রাফটে বানিয়ে টেস্ট করে নিন, তারপর পুরনোটা বন্ধ করে এটা চালু করে দিন। মাঝখানে অর্ডার নেওয়া বন্ধ রাখা লাগবে না।

শেষ কথা

বাংলাদেশে Shopify স্টোর চালানো আর বিদেশে চালানো, দুইটা একদম আলাদা জিনিস।

বাংলাদেশে অর্ডার আসে COD-তে। ট্রাফিক আসে মোবাইল থেকে। পার্সেল যায় স্টেডফাস্ট বা পাঠাওতে। আর কাস্টমার সাপোর্ট চায় হোয়াটসঅ্যাপে। যে অ্যাপ এই কথাগুলো মাথায় রেখে বানানো হয়নি, সেটা দিয়ে কিছুদিন জোড়াতালি দিয়ে চালানো যায়, কিন্তু অর্ডার বাড়লেই সব ভেঙে পড়ে।

ফ্রি প্ল্যান আছে, তাই দেখতে টাকা লাগছে না। একদিন সময় নিয়ে সেটআপ করে ফেলুন। এক সপ্তাহ পর কনভার্শন আর রিটার্নের হিসাবটা মিলিয়ে দেখলেই বুঝে যাবেন।

Neo COD Form & Upsell আজই ইনস্টল করুন, আর আপনার COD বিজনেসটা গুছিয়ে নিন।